শিয়াদের ভ্রান্ত আক্বীদা ও কর্মসমূহ: ১
শিয়াদের ভ্রান্ত আক্বীদা ও কর্মসমূহ (পর্ব-১ঃ)
দুনিয়া ও আখিরাত ইমামের মালিকানায় (১) ; যমিনের রব (মালিক) হলেন ইমাম (২) ; সূরা আয যারিয়াত : ৫৬ এর ব্যাখ্যায় এক শিয়া মুফাসসির বলে যে, আল্লাহ জ্বীন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছেন যাতে তারা তাকে চিনতে পারেন। কারন তারা যখন তাকে চিনবে, তখন তারা তার ইবাদাত করবে। অতঃপর তাদের একজন তাকে জিজ্ঞেস করল : চিনা-জানা বলতে কী বুঝায়? তখন সে জবাব দিল: মানুষ তাদের যামানার ইমামকে চিনবে-জানবে।(৩); ইমামরা যা ইচ্ছা হালাল ও হারাম করতে পারে আর তারা কখনও কিছুর ইচ্ছা করেনা যতক্ষণ আল্লাহ ইচ্ছা করেন। তারা তাদের উপর আসা বিপদ ও তার পরিনতি সম্পর্কে জানে।(৪);
[ (১) উসুলুল কাফী, পৃঃ ২৫৯ (ভারত প্রকাশনা) ;
(২) তরজুমাতু মকবুল আহমাদ, পৃঃ ৩৩৯ (আসল বক্তব্য উর্দু ভাষায়) ;
(৩) তরজুমাতু মকবুল আহমদ , পৃঃ ১০৪৩ ;
(৪)উসুলুল কাফী, পৃঃ ২৭৮
পর্যালোচনাঃ
এই আক্বীদা অত্যন্ত জঘন্য ও নিকৃষ্ট। আলহামদুলিল্লাহ ইসলামের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই এবং একজন মুসলিমের এই আক্বীদার সাথে কোন ছিটে ফোটা সম্পর্কও নেই।
একমাত্র আল্লাহ আসমান-যমীনে যা কিছু আছে, যা প্রকাশ্য ও গোপন সবকিছুর একক মালিক, তাঁর মালিকানায় আর কারো অংশিদার নেই। কেবলমাত্র তিনিই গায়েব (অদৃশ্য) সম্পর্কে জানেন। তিনি যা ইচ্ছা তাই করেন, একমাত্র তিনিই তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী কোন কিছু হালাল-হারাম করেন।
[ সাবা ২২; ফাতির ১৩ ; মায়িদাহ ১৭,৪০,৮৭,১২০; তাহরিম ১; আন'আম ৫৯, ৭৩,৭৫; ইয়াসিন ৮৩; যুমার ৬,৪৩,৪৪; আহকাফ ৮; ফাতহ ১১; নূর ৪২; ফুরকান ২; সাদ ১০; জাসিয়া ২৭; গাফির ১৬; শুরা ৪৯; ইব্রাহীম ২; বাকারাহ ১০৭, ১৭২; আ'রাফ ১২৮; ইমরান ২৬, ১৮৯; নাজম ২৫; হাদীদ ২,৫; বুরুজ ৮-৯; মুলক ১; যুমার ২; নমল ৬৫; ইউনুস ৩১; রাদ ১৭; নাহল ৭৩,১১৬; মারইয়াম ৪০; মুমিনুন ১৬; আনকাবুত ১৭; তওবা ৩৭; আহযাব ৫২; বুখারী হাঃ ৪৯১২, ৫২৬৭, ৬৬৯১; মুসলিম ১৪১৭ ]
এই আক্বীদার পরেও কি শিয়াদের কে মুসলিম বলা উচিত??? (নাউযুবিল্লাহ)
No comments